বিরোধী দলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট: রাশেদ খাঁন
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৬-০৮-২০২৬ ০৪:১৯:২৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৬-০৮-২০২৬ ০৪:২০:১৩ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিরোধী দলের ছায়া সরকার থেকে বাদ পড়ার মতোই প্রকৃত সরকার থেকেও বাদ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত এনসিপিকে নির্বাচনী খরচ দিয়ে ১৯৭১ সালের অপরাধের দায় মোছার চেষ্টা করেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
পোস্টে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে।’
সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও এনসিপিকে এতগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দেওয়ার পেছনে জামায়াতের ১৯৭১ সালের অপরাধের দায় মোছার চেষ্টা ছিল বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, ‘শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢাকা যায় না, এনসিপিকে দিয়ে ৭১-এর গণহত্যার দায় থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।’ তার দাবি, জামায়াত যত দিন থাকবে, তত দিন ১৯৭১ সালের গণহত্যার দায় নিয়েই দলটিকে থাকতে হবে। একইভাবে আওয়ামী লীগকেও ২০২৪ সালের গণহত্যার দায় নিয়ে পালিয়ে থাকতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ছায়া সরকার গঠনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা ও বিভিন্ন জরিপে ক্ষমতায় যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির নেতাদের হতাশা কিছুটা কমবে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন, ছায়া সরকার গঠনের পর জামায়াত নেতাদের মধ্যে ক্ষমতায় থাকার মানসিকতা দেখা যেতে পারে। ক্ষমতায় যেতে না পারার আক্ষেপ থেকে তাদের মধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যও কমে আসতে পারে। পাশাপাশি তারা দায়িত্বশীল হয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারকে বিকল্প নীতির প্রস্তাব দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদুর রহমান আজাদের মতো গুম নিয়ে ‘মিথ্যাচার ও অপপ্রচার’ চালানো হলে মানুষ ছায়া সরকারকে ‘গুজব সরকার’ এবং এর মন্ত্রীদের ‘গুজব মন্ত্রী’ বলা শুরু করবে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
ছায়া মন্ত্রিসভায় ৫ আগস্টের পর ‘বিপ্লবী’ হিসেবে আবির্ভূত হওয়া নারী নেতৃত্বের একজন প্রতিনিধি রাখার সুযোগ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মারদিয়া মমতাজের নাম উল্লেখ করে রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কোনো নারীকে মন্ত্রিত্বে বসাবে কি না।
তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই জাতীয় সনদ লঙ্ঘন করে জামায়াত কোনো নারীকে মনোনয়ন দেয়নি। অন্যদিকে বিএনপি নির্বাচনের আগেই নারী প্রার্থী দেওয়ার মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে এবং সরকারে দায়িত্ব পাওয়ার পরও সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স